ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আদর্শের পথে ত্যাগই বড় প্রাপ্তি: ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি কেবল ক্ষমতা বা পদ-পদবি পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি নৈতিকতা ও আদর্শের প্রতি এক অটল অঙ্গীকার। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক নিজের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন। রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

তরিকুল ইসলাম জানান, আদর্শের পথে অটল থাকায় তাকে দীর্ঘ সময় রাজপথের কঠিন লড়াইয়ে থাকতে হয়েছে। এ সময় তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে আহত হয়েছেন। তার শরীরে থাকা গুলির ক্ষতচিহ্নগুলোই এখন তার ত্যাগের সাক্ষী হয়ে আছে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত প্রাপ্তির আশায় নয়, বরং অন্যায় ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করাকেই তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেছেন।

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে এই ছাত্রদল নেতা বলেন, সাময়িক বঞ্চনা বা মূল্যায়ন না পাওয়ার কষ্ট থাকলেও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবেন না। তার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রকৃত ত্যাগীদের অবদান একদিন ইতিহাসের পাতায় স্বীকৃত হবেই। ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে: পানিবন্দী ৫ হাজার পরিবার

আদর্শের পথে ত্যাগই বড় প্রাপ্তি: ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০২:৪৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

রাজনীতি কেবল ক্ষমতা বা পদ-পদবি পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি নৈতিকতা ও আদর্শের প্রতি এক অটল অঙ্গীকার। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক নিজের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন। রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

তরিকুল ইসলাম জানান, আদর্শের পথে অটল থাকায় তাকে দীর্ঘ সময় রাজপথের কঠিন লড়াইয়ে থাকতে হয়েছে। এ সময় তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে আহত হয়েছেন। তার শরীরে থাকা গুলির ক্ষতচিহ্নগুলোই এখন তার ত্যাগের সাক্ষী হয়ে আছে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত প্রাপ্তির আশায় নয়, বরং অন্যায় ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করাকেই তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেছেন।

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে এই ছাত্রদল নেতা বলেন, সাময়িক বঞ্চনা বা মূল্যায়ন না পাওয়ার কষ্ট থাকলেও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবেন না। তার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রকৃত ত্যাগীদের অবদান একদিন ইতিহাসের পাতায় স্বীকৃত হবেই। ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।