ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে চার্চে হামলা: ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সুভাস গ্রামে একটি নির্মাণাধীন চার্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অভিযোগ, একদল ব্যক্তি ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে প্রবেশ করে এর ক্রস, দরজা ও পিলার ভাঙচুর করেছে। এ সময় স্থানীয় খ্রিস্টান পরিবারগুলোকে নানা ধরনের হুমকিও দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, হামলার সময় দুর্বৃত্তরা খ্রিস্টান পরিবারগুলোর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাদের জরুরি সেবা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। হামলাকারীরা চার্চের এলাকায় ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণের বিরোধিতা করে এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। নিজেদের হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিলেও, সংগঠনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার দায় সরাসরি স্বীকার করা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এমন সাম্প্রদায়িক আচরণ ও ক্রসের অবমাননা তাদের মানসিকভাবে গভীরভাবে আঘাত করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে: পানিবন্দী ৫ হাজার পরিবার

পশ্চিমবঙ্গে চার্চে হামলা: ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সুভাস গ্রামে একটি নির্মাণাধীন চার্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অভিযোগ, একদল ব্যক্তি ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে প্রবেশ করে এর ক্রস, দরজা ও পিলার ভাঙচুর করেছে। এ সময় স্থানীয় খ্রিস্টান পরিবারগুলোকে নানা ধরনের হুমকিও দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, হামলার সময় দুর্বৃত্তরা খ্রিস্টান পরিবারগুলোর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাদের জরুরি সেবা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। হামলাকারীরা চার্চের এলাকায় ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণের বিরোধিতা করে এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। নিজেদের হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিলেও, সংগঠনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার দায় সরাসরি স্বীকার করা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এমন সাম্প্রদায়িক আচরণ ও ক্রসের অবমাননা তাদের মানসিকভাবে গভীরভাবে আঘাত করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।