ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সংঘাত এড়ানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো সহিংসতা ও সংঘাত পুরোপুরিভাবে বন্ধ করা। তিনি মনে করেন, এই ধরনের মারামারি ও রক্তপাত থামানোই এই নির্বাচনগুলোর প্রধান বাধা।

রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, বর্তমানে দেশে চার হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন, ৫০০ উপজেলা, ৬১টি জেলা, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং ৩৩০টি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে, যা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। তিনি আশ্বাস দেন যে, নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

সিইসি আরও বলেন, গণতন্ত্র কেবল জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়েও এর উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। কারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরাই সরাসরি জনগণের সেবা প্রদান করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, জাতীয় নির্বাচনের একই মান বজায় রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোও অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০১৬ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন এবং ২০২১ সালে ইউনিয়ন নির্বাচনে ১১৬ জন নিহত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, আশির দশকেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড এবং আহত হওয়ার ঘটনা ঘটত। তাই, এবার কোনো রক্তপাত ছাড়াই সুন্দর একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন। একটি সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদারভাবে চালু করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলোচনা করে এই ধরনের সংঘাত এড়ানো সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন ছাড়া এই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাজিলের রেকর্ড সমৃদ্ধি ও মরক্কোর ঐতিহাসিক অর্জন: মেটলাইফে ভিনি-হাকিমিদের যত কীর্তি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সংঘাত এড়ানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ: সিইসি

আপডেট সময় : ০৭:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো সহিংসতা ও সংঘাত পুরোপুরিভাবে বন্ধ করা। তিনি মনে করেন, এই ধরনের মারামারি ও রক্তপাত থামানোই এই নির্বাচনগুলোর প্রধান বাধা।

রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, বর্তমানে দেশে চার হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন, ৫০০ উপজেলা, ৬১টি জেলা, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং ৩৩০টি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে, যা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। তিনি আশ্বাস দেন যে, নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

সিইসি আরও বলেন, গণতন্ত্র কেবল জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়েও এর উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। কারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরাই সরাসরি জনগণের সেবা প্রদান করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, জাতীয় নির্বাচনের একই মান বজায় রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোও অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০১৬ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন এবং ২০২১ সালে ইউনিয়ন নির্বাচনে ১১৬ জন নিহত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, আশির দশকেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড এবং আহত হওয়ার ঘটনা ঘটত। তাই, এবার কোনো রক্তপাত ছাড়াই সুন্দর একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন। একটি সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদারভাবে চালু করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলোচনা করে এই ধরনের সংঘাত এড়ানো সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন ছাড়া এই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।