ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আশুলিয়ায় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ঢাকার আশুলিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামী রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ঢাকার একটি অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় সপরিবারে বসবাস করতেন রেজাউল ও তার স্ত্রী সিমা আক্তার। সিমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন, তবে রেজাউল কোনো কাজ করতেন না। সিমা তাকে কাজ করার জন্য বললে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া ও মারধরের ঘটনা ঘটত। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ঝগড়ার একপর্যায়ে রেজাউল তার স্ত্রীকে মাথায় আঘাত করার পর জবাই করে হত্যা করেন। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির মালিক তাকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ২০১৭ সালে আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কাজ শুরু হয়। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই সর্বোচ্চ সাজার রায় প্রদান করেন। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল বর্তমানে জামিন নিয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন: বাল্কহেড জব্দ, দুই কারাদণ্ড

আশুলিয়ায় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০২:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ঢাকার আশুলিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামী রেজাউল করিম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ঢাকার একটি অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় সপরিবারে বসবাস করতেন রেজাউল ও তার স্ত্রী সিমা আক্তার। সিমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন, তবে রেজাউল কোনো কাজ করতেন না। সিমা তাকে কাজ করার জন্য বললে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া ও মারধরের ঘটনা ঘটত। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে ঝগড়ার একপর্যায়ে রেজাউল তার স্ত্রীকে মাথায় আঘাত করার পর জবাই করে হত্যা করেন। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির মালিক তাকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ২০১৭ সালে আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কাজ শুরু হয়। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই সর্বোচ্চ সাজার রায় প্রদান করেন। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল বর্তমানে জামিন নিয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।