ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দুর্নীতির দুই মামলায় সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের জামিন নামঞ্জুর

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজউকের প্লট আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরা জামিনের জোরালো বিরোধিতা করে জানান, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বিচারপতি হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকার বেশি মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন, যার কোনো বৈধ উৎস নেই। এছাড়া এসব অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অন্য মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। বিধি অনুযায়ী রাজউক এলাকায় আগে থেকে কারো জমি বা বাড়ি থাকলে নতুন প্লট পাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু তিনি হলফনামায় ভুল তথ্য দিয়ে এবং রাজউক কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে প্লটটি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করেন। অথচ বাড্ডা এলাকায় আগে থেকেই তার পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমি এবং নির্মাণাধীন বাড়ি ছিল। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করার সিদ্ধান্ত নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরতি ভেঙে হৈমন্তীর কণ্ঠে দুই নতুন গান, মুগ্ধ দর্শক-শ্রোতা

দুর্নীতির দুই মামলায় সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের জামিন নামঞ্জুর

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজউকের প্লট আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরা জামিনের জোরালো বিরোধিতা করে জানান, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বিচারপতি হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকার বেশি মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন, যার কোনো বৈধ উৎস নেই। এছাড়া এসব অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অন্য মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। বিধি অনুযায়ী রাজউক এলাকায় আগে থেকে কারো জমি বা বাড়ি থাকলে নতুন প্লট পাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু তিনি হলফনামায় ভুল তথ্য দিয়ে এবং রাজউক কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে প্লটটি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করেন। অথচ বাড্ডা এলাকায় আগে থেকেই তার পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমি এবং নির্মাণাধীন বাড়ি ছিল। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করার সিদ্ধান্ত নেন।