বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিন্তক, কবি ও দার্শনিক আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল কেবল সাহিত্যের আঙিনায় নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর পুনর্জাগরণ ও রাজনৈতিক দর্শনে এক অবিস্মরণীয় নাম। তার শক্তিশালী লেখনী ও দর্শন প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্য—সর্বত্রই বিপ্লবের প্রেরণা জুগিয়েছে। ইকবালের ‘খুদী’ বা আত্মপরিচয় দর্শনের মূল কথা হলো মানুষের ব্যক্তিত্বকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, যেখানে মানুষের ইচ্ছাই ভাগ্যের নিয়ন্তা হয়ে দাঁড়ায়।
ইকবাল বিশ্বাস করতেন শিল্প কেবল শিল্পের জন্য নয়, বরং শিল্প হতে হবে জীবনের প্রয়োজনে। তার রাষ্ট্রচিন্তা ও দার্শনিক ভাবনা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিমদের জন্য একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন ভূখণ্ডের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। জালালুদ্দীন রুমি থেকে শুরু করে নিটশে বা কান্ট—বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মনীষীদের দর্শনের নির্যাস নিয়ে ইকবাল গড়ে তুলেছিলেন তার নিজস্ব চিন্তার জগৎ। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তার সেই সত্য ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
রিপোর্টারের নাম 























