ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

আস্থার সংকটে সর্বজনীন পেনশন স্কিম: গতি ফেরাতে উদ্যোগী সরকার

দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম বর্তমানে গভীর আস্থার সংকটে পড়েছে। নতুন গ্রাহক নিবন্ধনে যেমন ধীরগতি দেখা দিয়েছে, তেমনি যারা ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছেন তাদের একটি বড় অংশ নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছেন না। ফলে বড় প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হওয়া এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগটি এখন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে এবং প্রকল্পে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে এই স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এছাড়া সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াতে শরিয়াহভিত্তিক স্কিম চালু এবং নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশনের সুবিধার মতো প্রস্তাবগুলোতে ইতিবাচক সায় দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের আগস্টে সরকারি সুবিয়ার বাইরে থাকা সাধারণ নাগরিকদের জন্য এই পেনশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং বিগত সরকারের সময়কার নানা অনিয়মের প্রভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এটি নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। বর্তমানে সরকার সেই অনাস্থা কাটিয়ে উঠতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সামরিক অভিযানের শার্পনেলে প্রাণ হারালেন কাতারি নাগরিক, নিখোঁজ নৌযান উদ্ধার

আস্থার সংকটে সর্বজনীন পেনশন স্কিম: গতি ফেরাতে উদ্যোগী সরকার

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম বর্তমানে গভীর আস্থার সংকটে পড়েছে। নতুন গ্রাহক নিবন্ধনে যেমন ধীরগতি দেখা দিয়েছে, তেমনি যারা ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছেন তাদের একটি বড় অংশ নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছেন না। ফলে বড় প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হওয়া এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগটি এখন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে এবং প্রকল্পে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে এই স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এছাড়া সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াতে শরিয়াহভিত্তিক স্কিম চালু এবং নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশনের সুবিধার মতো প্রস্তাবগুলোতে ইতিবাচক সায় দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের আগস্টে সরকারি সুবিয়ার বাইরে থাকা সাধারণ নাগরিকদের জন্য এই পেনশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং বিগত সরকারের সময়কার নানা অনিয়মের প্রভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এটি নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। বর্তমানে সরকার সেই অনাস্থা কাটিয়ে উঠতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।