ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নীলফামারীতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ডের সুফল: দুই মাসেই দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের চালু করা ডিজিটাল ‘ফুয়েল কার্ড’ বা ফুয়েল পাস সিস্টেমের ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। নীলফামারী জেলায় এই ব্যবস্থা চালুর মাত্র দুই মাসের মাথায় সরকার প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। একই সঙ্গে বিআরটিএ কার্যালয়ে যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র হালনাগাদ করার প্রবণতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

স্থানীয় বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি যানবাহনের জ্বালানি সংগ্রহের পরিমাণ কেন্দ্রীয় সার্ভারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে তেলের অপচয়, অবৈধ মজুত এবং কালোবাজারি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগে জ্বালানি পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হলেও এখন ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে চালকরা দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সেবা পাচ্ছেন। এতে পরিবহন খাতে যেমন শৃঙ্খলা ফিরেছে, তেমনি ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার কারণে আর্থিক স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ফুয়েল কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত থাকলেও পরবর্তীতে তা কিছুটা শিথিল করা হয়, যা সাধারণ মালিক ও চালকদের মধ্যে স্বস্তি এনেছে। বৈধ রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হওয়ায় গত দুই মাসে নীলফামারীতে প্রায় ৭৮৪টি মোটরসাইকেল নিবন্ধিত হয়েছে, যা থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব অর্জিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম দূর হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে গরুর মাংস রান্নার অভিযোগে ৩ মুসলিম নারী গ্রেপ্তার, ফরেনসিক প্রতিবেদন আসেনি

নীলফামারীতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ডের সুফল: দুই মাসেই দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

আপডেট সময় : ১০:৩১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের চালু করা ডিজিটাল ‘ফুয়েল কার্ড’ বা ফুয়েল পাস সিস্টেমের ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। নীলফামারী জেলায় এই ব্যবস্থা চালুর মাত্র দুই মাসের মাথায় সরকার প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। একই সঙ্গে বিআরটিএ কার্যালয়ে যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র হালনাগাদ করার প্রবণতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

স্থানীয় বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি যানবাহনের জ্বালানি সংগ্রহের পরিমাণ কেন্দ্রীয় সার্ভারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে তেলের অপচয়, অবৈধ মজুত এবং কালোবাজারি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগে জ্বালানি পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হলেও এখন ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে চালকরা দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সেবা পাচ্ছেন। এতে পরিবহন খাতে যেমন শৃঙ্খলা ফিরেছে, তেমনি ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার কারণে আর্থিক স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ফুয়েল কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত থাকলেও পরবর্তীতে তা কিছুটা শিথিল করা হয়, যা সাধারণ মালিক ও চালকদের মধ্যে স্বস্তি এনেছে। বৈধ রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হওয়ায় গত দুই মাসে নীলফামারীতে প্রায় ৭৮৪টি মোটরসাইকেল নিবন্ধিত হয়েছে, যা থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব অর্জিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম দূর হবে।