ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

শরীয়তপুরে স্বামীকে হত্যার পর লাশ টুকরো করে ড্রামে লুকালেন স্ত্রী

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে প্রবাসী স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে ড্রামে লুকিয়ে রাখার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী আসমা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত জিয়া সরদার মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন এবং তারা সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে দাম্পত্য কলহের একপর্যায়ে আসমা তার স্বামী জিয়ার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করেন, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর অপরাধ আড়াল করতে আসমা লাশটি ছুরি দিয়ে খণ্ডিত করেন এবং হাড় ও মাংস আলাদা করে একটি ড্রামে ভরে তিন দিন ঘরেই রেখে দেন। শুক্রবার লাশের কিছু অংশ সরিয়ে ফেলার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, আটকের পর আসমা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খণ্ডিত দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুরে হৃদরোগ ও ক্যান্সার বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

শরীয়তপুরে স্বামীকে হত্যার পর লাশ টুকরো করে ড্রামে লুকালেন স্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে প্রবাসী স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে ড্রামে লুকিয়ে রাখার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী আসমা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত জিয়া সরদার মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন এবং তারা সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে দাম্পত্য কলহের একপর্যায়ে আসমা তার স্বামী জিয়ার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করেন, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর অপরাধ আড়াল করতে আসমা লাশটি ছুরি দিয়ে খণ্ডিত করেন এবং হাড় ও মাংস আলাদা করে একটি ড্রামে ভরে তিন দিন ঘরেই রেখে দেন। শুক্রবার লাশের কিছু অংশ সরিয়ে ফেলার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে বিষয়টি জানাজানি হয়।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, আটকের পর আসমা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খণ্ডিত দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।