ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

শ্রমিকের অধিকার ও ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নেই আসবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ বলেছেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষ আজও তাদের পূর্ণাঙ্গ অধিকার থেকে বঞ্চিত। অথচ মালিক ও শ্রমিকের পারস্পরিক সুসম্পর্ক এবং সঠিক বোঝাপড়া যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে অর্থনৈতিকভাবে সফল করতে পারে। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল লেবার রিপ্রেজেন্টেটিভ কনভেনশন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা বাছিত আজাদ বলেন, ইসলামী শ্রমনীতিতে শ্রমিকের সব ধরনের অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ইসলাম মালিকপক্ষকে শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া শ্রমিকের ওপর সাধ্যাতীত কাজের বোঝা না চাপানো, মানবিক আচরণ করা, বিশ্রাম ও ইবাদতের সুযোগ দেওয়া এবং সুনির্দিষ্ট চুক্তির মাধ্যমে কাজ করানোর বিধানও ইসলামে রয়েছে। তিনি মনে করেন, এই অনুশাসনগুলো মেনে চললেই দেশের প্রকৃত সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা মালিকের অন্যতম দায়িত্ব। পাশাপাশি শ্রমিকেরও নৈতিক দায়িত্ব হলো নিষ্ঠার সাথে কাজ করা। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ঘটলে ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা মালিকের আইনি ও নৈতিক কর্তব্য। তিনি আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং শিশুদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম বন্ধের দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে গরুর মাংস রান্নার অভিযোগে ৩ মুসলিম নারী গ্রেপ্তার, ফরেনসিক প্রতিবেদন আসেনি

শ্রমিকের অধিকার ও ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নেই আসবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ বলেছেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষ আজও তাদের পূর্ণাঙ্গ অধিকার থেকে বঞ্চিত। অথচ মালিক ও শ্রমিকের পারস্পরিক সুসম্পর্ক এবং সঠিক বোঝাপড়া যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে অর্থনৈতিকভাবে সফল করতে পারে। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল লেবার রিপ্রেজেন্টেটিভ কনভেনশন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা বাছিত আজাদ বলেন, ইসলামী শ্রমনীতিতে শ্রমিকের সব ধরনের অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ইসলাম মালিকপক্ষকে শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। এছাড়া শ্রমিকের ওপর সাধ্যাতীত কাজের বোঝা না চাপানো, মানবিক আচরণ করা, বিশ্রাম ও ইবাদতের সুযোগ দেওয়া এবং সুনির্দিষ্ট চুক্তির মাধ্যমে কাজ করানোর বিধানও ইসলামে রয়েছে। তিনি মনে করেন, এই অনুশাসনগুলো মেনে চললেই দেশের প্রকৃত সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা মালিকের অন্যতম দায়িত্ব। পাশাপাশি শ্রমিকেরও নৈতিক দায়িত্ব হলো নিষ্ঠার সাথে কাজ করা। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ঘটলে ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা মালিকের আইনি ও নৈতিক কর্তব্য। তিনি আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং শিশুদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম বন্ধের দাবি জানান।