দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। তবে তারা জানিয়েছেন, সময়মতো রোগ শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে ৯৯ শতাংশ রোগীই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। শুক্রবার বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন এবং চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। চিকিৎসকরা বলেন, হাম একটি অতি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হলেও দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনলে মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে প্রায় ৫৪ হাজার শিশু হাম ও হাম সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে, যার প্রধান কারণ ছিল শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা। বিশেষজ্ঞরা জানান, গত দুই বছরে টিকাদান কর্মসূচিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটায় সংক্রমণের হার বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান, উপজেলা পর্যায়ে ‘ফিভার কর্নার’ স্থাপন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছেন তারা। শিশুদের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞরা।
রিপোর্টারের নাম 

























