আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার খামারিরা। সারা বছর পরম মমতায় লালন-পালন করা পশুগুলো এখন বিক্রির জন্য প্রস্তুত। তবে গো-খাদ্য, ওষুধ এবং পরিচর্যা ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে পশুর কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। অনেকেই ব্যাংক ঋণ নিয়ে বা তিল তিল করে জমানো সঞ্চয় দিয়ে এসব খামার গড়ে তুলেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, খামারিরা দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন। দুর্গাপুরের নাওদারা গ্রামের খামারি হযরত আলী জানান, তার খামারে অস্ট্রেলিয়ান, শাহীওয়াল ও নেপালি জাতসহ মোট ২৬টি গরু রয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু গরু বিক্রি হলেও বাকিগুলো নিয়ে তিনি ভালো লাভের আশা করছেন। প্রতিটি গরুর দাম আকারভেদে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রত্যাশা করছেন তিনি।
খামারিদের মতে, পশুর সঠিক দাম পেলে তারা ভবিষ্যতে খামার আরও বড় করতে পারবেন। তবে বাজারের বর্তমান অস্থিতিশীলতা তাদের ভাবিয়ে তুলছে। খামারের কর্মীরাও দিনরাত পরিশ্রম করছেন পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে। প্রান্তিক খামারিদের দাবি, কোরবানির বাজারে পশুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে তারা বড় ধরনের লোকসান থেকে বাঁচবেন।
রিপোর্টারের নাম 























