ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সীমান্তে বিএসএফের গুলি থামছেই না: ৫ সপ্তাহে লালমনিরহাটেই ঝরল ২ প্রাণ

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক নিহতের ঘটনা কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। গত ৫ সপ্তাহের ব্যবধানে কেবল লালমনিরহাট সীমান্তেই বিএসএফের গুলিতে ২ জন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সর্বশেষ গত ১৪ মে ভোরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বনচৌকি সীমান্ত এলাকায় খাদেমুল ইসলাম (২৪) নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। এর আগে ৮ এপ্রিল পাটগ্রাম সীমান্তে একইভাবে নিহত হন আলী হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিরস্ত্র মানুষের ওপর মরণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের বিধান না থাকলেও সীমান্তে বিএসএফের এমন মারমুখী আচরণ অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ না হলে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সীমান্ত হত্যার বিচার না হওয়া এবং জবাবদিহিতার অভাবকেই এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তারা। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তায় সরকারকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্মেনীয় ইস্যু নিয়ে ইসরাইলের পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: তুরস্ক

সীমান্তে বিএসএফের গুলি থামছেই না: ৫ সপ্তাহে লালমনিরহাটেই ঝরল ২ প্রাণ

আপডেট সময় : ০৩:০৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক নিহতের ঘটনা কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। গত ৫ সপ্তাহের ব্যবধানে কেবল লালমনিরহাট সীমান্তেই বিএসএফের গুলিতে ২ জন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সর্বশেষ গত ১৪ মে ভোরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বনচৌকি সীমান্ত এলাকায় খাদেমুল ইসলাম (২৪) নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। এর আগে ৮ এপ্রিল পাটগ্রাম সীমান্তে একইভাবে নিহত হন আলী হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিরস্ত্র মানুষের ওপর মরণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের বিধান না থাকলেও সীমান্তে বিএসএফের এমন মারমুখী আচরণ অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ না হলে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সীমান্ত হত্যার বিচার না হওয়া এবং জবাবদিহিতার অভাবকেই এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তারা। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তায় সরকারকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।