ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দের দাবি মাদরাসা শিক্ষকদের

আসন্ন জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে মোট বরাদ্দের অন্তত ২০ শতাংশ রাখার জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমজিটিএ)। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই দাবি উত্থাপন করেন। তারা বলেন, ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী একটি দেশের জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় করা উচিত হলেও বাংলাদেশে তা অনেক কম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ জানান, গত অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য ছিল, যা প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাখাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ না থাকায় সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদান, ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং সরকারি নিয়মে চিকিৎসা ও বাড়ি ভাড়া প্রদানের দাবিও জানানো হয়।

বক্তারা আরও বলেন, মাদরাসাসহ দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা এখন সময়ের দাবি। এছাড়া প্রভাষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অনুপাত প্রথা বাতিল করে সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সুযোগ তৈরির আহ্বান জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষাখাতের উন্নয়নে শিক্ষা কমিশন গঠনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্মেনীয় ইস্যু নিয়ে ইসরাইলের পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: তুরস্ক

শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দের দাবি মাদরাসা শিক্ষকদের

আপডেট সময় : ০২:০২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

আসন্ন জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে মোট বরাদ্দের অন্তত ২০ শতাংশ রাখার জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমজিটিএ)। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই দাবি উত্থাপন করেন। তারা বলেন, ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী একটি দেশের জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় করা উচিত হলেও বাংলাদেশে তা অনেক কম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ জানান, গত অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য ছিল, যা প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাখাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ না থাকায় সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদান, ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং সরকারি নিয়মে চিকিৎসা ও বাড়ি ভাড়া প্রদানের দাবিও জানানো হয়।

বক্তারা আরও বলেন, মাদরাসাসহ দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা এখন সময়ের দাবি। এছাড়া প্রভাষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অনুপাত প্রথা বাতিল করে সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সুযোগ তৈরির আহ্বান জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষাখাতের উন্নয়নে শিক্ষা কমিশন গঠনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।