দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বহুল প্রতীক্ষিত ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ের এই বিশাল প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি টিমের পরামর্শ অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে, যার প্রথম পর্যায়ে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাবে দেশের একটি বিশাল ভূখণ্ড যখন মরুময়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে, তখন এই প্রকল্পকে ‘মরণফাঁদ’ থেকে বাঁচার মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে দেখছেন পরিবেশবিদরা। তারা মনে করছেন, এই ব্যারাজ নির্মিত হলে মৎস্য ও কৃষিজাত অর্থনীতি পুনরায় প্রাণ ফিরে পাবে। এর আগে ভারতের আপত্তির কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘ সময় থমকে থাকলেও বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জীবন-মরণ সমস্যা সমাধানে এটিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
প্রকল্প অনুমোদনের পর পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ বাংলাদেশের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে অন্য কোনো দেশের অনুমতির প্রয়োজন নেই। সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপে পরিবেশবাদী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 






















