ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

জ্বালানি নিরাপত্তায় মাইলফলক: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত সমঝোতা স্মারক সই

জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে উদ্ভূত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিকে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সমঝোতার ফলে বাংলাদেশ সাশ্রয়ী মূল্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ পাবে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় এবং তেল, গ্যাস, জৈব ও ভূ-তাপীয় জ্বালানি নিয়ে যৌথ গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এই সমঝোতাকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই চুক্তির ফলে জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও টেকসই হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্মেনীয় ইস্যু নিয়ে ইসরাইলের পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: তুরস্ক

জ্বালানি নিরাপত্তায় মাইলফলক: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত সমঝোতা স্মারক সই

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে উদ্ভূত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিকে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সমঝোতার ফলে বাংলাদেশ সাশ্রয়ী মূল্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ পাবে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় এবং তেল, গ্যাস, জৈব ও ভূ-তাপীয় জ্বালানি নিয়ে যৌথ গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এই সমঝোতাকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই চুক্তির ফলে জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও টেকসই হবে বলে আশা করা হচ্ছে।