ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা: চালের দাম কমলেও অন্যান্য পণ্যে নাভিশ্বাস ক্রেতাদের

দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এখন আকাশচুম্বী। চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আটা, ময়দা, তেল, চিনি ও ডালের মতো অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে পোলাও চাল এবং মুরগির দাম বৃদ্ধিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। রান্নার গ্যাসের সংকট ও বাড়তি দাম বাজারের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। আদা ও রসুনের বাজারও এখন চড়া। তবে স্বস্তির খবর হলো, নতুন চাল বাজারে আসায় মিনিকেটসহ বিভিন্ন জাতের চালের দাম মানভেদে কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পাইকারি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে নতুন চালের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বস্তাপ্রতি দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মোটা চালের দাম এখনো স্থিতিশীল রয়েছে।

মুদি বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। প্যাকেটজাত পণ্যের মধ্যে আটা, চিনি ও ডালের দাম নতুন করে বেড়েছে। এদিকে ডিমের বাজারেও অস্থিরতা কমছে না, ডজনপ্রতি ডিম এখন ১৪৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারে দাম কিছুটা ওঠানামা করলেও বেশিরভাগ সবজিই সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। সব মিলিয়ে পণ্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে ভারতীয় বন্যহাতির আক্রমণে বৃদ্ধের মৃত্যু

নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা: চালের দাম কমলেও অন্যান্য পণ্যে নাভিশ্বাস ক্রেতাদের

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এখন আকাশচুম্বী। চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আটা, ময়দা, তেল, চিনি ও ডালের মতো অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে পোলাও চাল এবং মুরগির দাম বৃদ্ধিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। রান্নার গ্যাসের সংকট ও বাড়তি দাম বাজারের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। আদা ও রসুনের বাজারও এখন চড়া। তবে স্বস্তির খবর হলো, নতুন চাল বাজারে আসায় মিনিকেটসহ বিভিন্ন জাতের চালের দাম মানভেদে কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পাইকারি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে নতুন চালের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বস্তাপ্রতি দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মোটা চালের দাম এখনো স্থিতিশীল রয়েছে।

মুদি বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। প্যাকেটজাত পণ্যের মধ্যে আটা, চিনি ও ডালের দাম নতুন করে বেড়েছে। এদিকে ডিমের বাজারেও অস্থিরতা কমছে না, ডজনপ্রতি ডিম এখন ১৪৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারে দাম কিছুটা ওঠানামা করলেও বেশিরভাগ সবজিই সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। সব মিলিয়ে পণ্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।