ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক: বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবাহে নতুন গতির সম্ভাবনা

দেশের ব্যাংকিং খাতে একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্তে বড় ধরনের শিথিলতা এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যাংক তার একজন গ্রাহককে মোট মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ‘ফান্ডেড’ ঋণ প্রদান করতে পারবে। আগে এই ঋণের সীমা ছিল ১৫ শতাংশ। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড—উভয় প্রকার ঋণ মিলিয়ে কোনোভাবেই মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি হওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, এই নতুন নির্দেশনা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ক্ষেত্রে ‘কনভার্সন ফ্যাক্টর’ ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো তাদের বৃহৎ ঋণ সীমা নির্ধারণে বাড়তি সুবিধা পাবে। তবে এই সুবিধা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত পূর্ণমাত্রায় থাকলেও পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে তা কমিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে বড় গ্রাহকদের ঋণ প্রাপ্তি সহজ হবে এবং ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। তবে ব্যাংকের ঝুঁকি মোকাবিলায় শ্রেণীকৃত ঋণের হারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বৃহৎ ঋণের সীমাও পুনর্নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১০ শতাংশের মধ্যে থাকে, তবে তারা মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বড় আকারের ঋণ দিতে পারবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে উত্তরবঙ্গের ভাগ্য, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস পানি সম্পদ মন্ত্রীর

একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক: বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবাহে নতুন গতির সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৫:২২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

দেশের ব্যাংকিং খাতে একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্তে বড় ধরনের শিথিলতা এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যাংক তার একজন গ্রাহককে মোট মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ‘ফান্ডেড’ ঋণ প্রদান করতে পারবে। আগে এই ঋণের সীমা ছিল ১৫ শতাংশ। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড—উভয় প্রকার ঋণ মিলিয়ে কোনোভাবেই মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি হওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, এই নতুন নির্দেশনা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ক্ষেত্রে ‘কনভার্সন ফ্যাক্টর’ ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো তাদের বৃহৎ ঋণ সীমা নির্ধারণে বাড়তি সুবিধা পাবে। তবে এই সুবিধা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত পূর্ণমাত্রায় থাকলেও পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে তা কমিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে বড় গ্রাহকদের ঋণ প্রাপ্তি সহজ হবে এবং ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। তবে ব্যাংকের ঝুঁকি মোকাবিলায় শ্রেণীকৃত ঋণের হারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বৃহৎ ঋণের সীমাও পুনর্নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১০ শতাংশের মধ্যে থাকে, তবে তারা মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বড় আকারের ঋণ দিতে পারবে।