খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই আহ্বায়ককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র ঘোষিত নতুন কমিটির কয়েকজন সদস্যসহ পদবঞ্চিত নেতারা পুরো কমিটি বাতিল করে ‘ত্যাগীদের’ সমন্বয়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। এই দাবিতে তারা ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে গণপদত্যাগ ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ঘোষিত কমিটিতে ফিরোজ আহমেদকে আহ্বায়ক, আবু জাফরকে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং খান ইসমাইলকে সদস্যসচিব করা হয়। কমিটি ঘোষণার পরপরই তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে বুধবার দুপুরে আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার স্থলে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদল জানায়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
এদিকে, নবগঠিত কমিটির কয়েকজন সদস্যসহ পদবঞ্চিত নেতারা বুধবার বিকেলে খুলনা প্রেসক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তারা অবিলম্বে পুরো কমিটি বাতিলের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অনিক আহমেদ। তিনি অভিযোগ করেন, নবগঠিত কমিটিতে অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং অতীতে তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও সহিংসতার হুমকি সংবলিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। এছাড়া, সদস্যসচিব খান ইসমাইলের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তাকে পূর্বে বহিষ্কার করা হয়েছিল বলে তারা জানান।
রিপোর্টারের নাম 
























