ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ঈশ্বরদীতে শ্রেণিকক্ষে রহস্যজনক বিষক্রিয়া: অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে রহস্যজনক বিষক্রিয়া বা বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে অন্তত ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বুধবার দুপুরে বিদ্যালয়ের বালিকা শাখায় পাঠদান চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস চলাকালে হঠাৎ করে দুই-তিনজন ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং একে একে আরও অনেক শিক্ষার্থী মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, শরীর কাঁপা ও বমির মতো উপসর্গে আক্রান্ত হতে থাকে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, এক ছাত্রীর আনা একটি ছোট কৌটা মেঝেতে পড়ে ভেঙে যাওয়ার পর পুরো ঘরে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর পরপরই সহপাঠীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, কোনো রাসায়নিক বা বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে এই গণ-অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সব শিক্ষার্থীই আশঙ্কামুক্ত এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ালটনের নতুন ৪ মডেলের স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন বাজারে

ঈশ্বরদীতে শ্রেণিকক্ষে রহস্যজনক বিষক্রিয়া: অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট সময় : ০৭:০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে রহস্যজনক বিষক্রিয়া বা বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে অন্তত ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বুধবার দুপুরে বিদ্যালয়ের বালিকা শাখায় পাঠদান চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস চলাকালে হঠাৎ করে দুই-তিনজন ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং একে একে আরও অনেক শিক্ষার্থী মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, শরীর কাঁপা ও বমির মতো উপসর্গে আক্রান্ত হতে থাকে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, এক ছাত্রীর আনা একটি ছোট কৌটা মেঝেতে পড়ে ভেঙে যাওয়ার পর পুরো ঘরে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর পরপরই সহপাঠীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, কোনো রাসায়নিক বা বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে এই গণ-অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সব শিক্ষার্থীই আশঙ্কামুক্ত এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।