যুদ্ধ, বাণিজ্য সংঘাত এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রসারে টালমাটাল বিশ্ব পরিস্থিতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং পৌঁছেছেন। হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই পরাশক্তি এবং সামরিক শক্তির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ, যেখানে চীনকে দ্বিতীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ট্রাম্পের এই সফরের মূল লক্ষ্য চীনের সাথে একটি বড় ধরনের বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পন্ন করা। আমেরিকার উৎপাদিত খাদ্যপণ্য ও উড়োজাহাজ চীনের কাছে বিক্রির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে চান তিনি। শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, তিনি অন্য সব কিছুর চেয়ে বাণিজ্য নিয়েই সবচেয়ে বেশি কথা বলবেন।
গত বছর ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট বাণিজ্য সংঘাত নিরসনে দুই দেশ একটি ‘বোর্ড অব ট্রেড’ বা বাণিজ্য বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা করছে। পূর্ববর্তী শুল্ক যুদ্ধের জবাবে চীন তাদের বিরল খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছিল, যার ফলে গত অক্টোবরে এক বছরের জন্য দুই দেশের মধ্যে ‘শুল্কযুদ্ধ’ বিরতি কার্যকর হয়।
তবে বেইজিং সফরের সময়ও ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে ইরান ইস্যু। হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের কারণে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার আটকা পড়ায় জ্বালানির দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইরান পরিস্থিতি পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই সংকট সমাধানে চীনের সহায়তার প্রয়োজন নেই।
রিপোর্টারের নাম 





















