ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি পিটুনিতে নিহত

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি আবদুল লতিফ ভূঁইয়াকে (৪৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মানিককান্দি গ্রামে। নিহত লতিফ ভূঁইয়া ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মানিককান্দি গ্রামে লতিফ ভূঁইয়ার উপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুলিশের পাহারায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রাত পৌনে ২টার দিকে তিনি মারা যান। তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত লতিফ ভূঁইয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও যুবলীগ নেতা জহিরুল হক মোল্লাকে মৎস্য প্রকল্পে আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে হত্যা করা হয়। এই মামলার আসামি লতিফ ভূঁইয়া প্রায় পাঁচ মাস কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। জামিনে আসার পর তিনি নিহত যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লার জ্যাঠাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাকে রাতের অন্ধকারে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন এবং পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে ফেলেন। এরপর জনতা তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মিরাজকে রেখেই বাংলাদেশের অপরিবর্তিত দল ঘোষণা

কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি পিটুনিতে নিহত

আপডেট সময় : ১১:৪২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি আবদুল লতিফ ভূঁইয়াকে (৪৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মানিককান্দি গ্রামে। নিহত লতিফ ভূঁইয়া ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মানিককান্দি গ্রামে লতিফ ভূঁইয়ার উপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুলিশের পাহারায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই রাত পৌনে ২টার দিকে তিনি মারা যান। তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত লতিফ ভূঁইয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মানিককান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও যুবলীগ নেতা জহিরুল হক মোল্লাকে মৎস্য প্রকল্পে আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে হত্যা করা হয়। এই মামলার আসামি লতিফ ভূঁইয়া প্রায় পাঁচ মাস কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। জামিনে আসার পর তিনি নিহত যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লার জ্যাঠাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাকে রাতের অন্ধকারে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন এবং পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে ফেলেন। এরপর জনতা তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।