ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পাহাড়ি ঢলে ফসলহানি: ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে কৃষিমন্ত্রী, আর্থিক সহায়তার আশ্বাস

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর মেদির হাওরে প্রায় সাড়ে ৩০০ হেক্টর জমির বোরো ফসল তলিয়ে গেছে। এতে বছরের একমাত্র ফসল হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন কমপক্ষে দুই হাজার কৃষক পরিবার। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এ সময় মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে এখনও ধান কাটা চলছে। সরকার কৃষকদের মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে এবং দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ কৃষক। আমি নিজেও একজন কৃষক। আমার ধানটা এরকম পচলে আমিও বুঝতাম কত কষ্ট। ধানগুলো এই পর্যায় নিয়ে আসতে বহুত কষ্ট। সুতরাং এই সরকারের মূলনীতি ও সিদ্ধান্ত হলো, কৃষকদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি, এই ধানগুলো উঠুক, শুকাক। এখনতো ভেজা ধান সরকার নেবে না। সরকার ১২ ভাগ ময়েশ্চারের (স্যাঁতস্যাঁতে) ওপরে হলে তা গ্রহণ করে না। ধান শুকানো শেষ হোক, এমনভাবে কোটা করা হয়েছে, জেলা পর্যায়ে এবং পরে আমরা যেটা করবো, ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিং করে ধান কিনবো।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের অবহেলার বলি গৃহবধূ: রাস্তায় পড়ে থাকা তারে প্রাণহানি

পাহাড়ি ঢলে ফসলহানি: ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে কৃষিমন্ত্রী, আর্থিক সহায়তার আশ্বাস

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর মেদির হাওরে প্রায় সাড়ে ৩০০ হেক্টর জমির বোরো ফসল তলিয়ে গেছে। এতে বছরের একমাত্র ফসল হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন কমপক্ষে দুই হাজার কৃষক পরিবার। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এ সময় মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে এখনও ধান কাটা চলছে। সরকার কৃষকদের মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে এবং দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ কৃষক। আমি নিজেও একজন কৃষক। আমার ধানটা এরকম পচলে আমিও বুঝতাম কত কষ্ট। ধানগুলো এই পর্যায় নিয়ে আসতে বহুত কষ্ট। সুতরাং এই সরকারের মূলনীতি ও সিদ্ধান্ত হলো, কৃষকদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি, এই ধানগুলো উঠুক, শুকাক। এখনতো ভেজা ধান সরকার নেবে না। সরকার ১২ ভাগ ময়েশ্চারের (স্যাঁতস্যাঁতে) ওপরে হলে তা গ্রহণ করে না। ধান শুকানো শেষ হোক, এমনভাবে কোটা করা হয়েছে, জেলা পর্যায়ে এবং পরে আমরা যেটা করবো, ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিং করে ধান কিনবো।’