ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

পাবলিক পরীক্ষার মূল্যায়ন: উত্তরপত্র দেখতে প্রয়োজন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত পরীক্ষক

পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র যথাযথভাবে মূল্যায়নের লক্ষ্যে পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। তবে কেবল সংখ্যা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; বরং যারা উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন, তাদের অবশ্যই প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হওয়া প্রয়োজন। একজন পরীক্ষকের নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের ওপরই নির্ভর করে শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়ন।

উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অবহেলা হলে শিক্ষার্থীরা চরম বৈষম্যের শিকার হন। একজন মেধাবী শিক্ষার্থী যদি পরীক্ষকের অমনোযোগিতার কারণে কম নম্বর পান, তবে তার ক্যারিয়ারে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। একইভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীর অযাচিত বেশি নম্বর পাওয়াও অনৈতিক। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরীক্ষকরা খাতা না পড়েই নম্বর প্রদান করেন কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করান, যা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও অনৈতিক।

শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, অনেক সময় পাঠদানে অনিয়মিত বা প্রশ্ন তৈরিতে অদক্ষ শিক্ষকরাও বিপুল পরিমাণ উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব পান। এটি শিক্ষার গুণগত মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে যোগ্য ও ধৈর্যশীল পরীক্ষক তৈরির কোনো বিকল্প নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের সাথে তারেক রহমানের মতবিনিময় আজ

পাবলিক পরীক্ষার মূল্যায়ন: উত্তরপত্র দেখতে প্রয়োজন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত পরীক্ষক

আপডেট সময় : ১২:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র যথাযথভাবে মূল্যায়নের লক্ষ্যে পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। তবে কেবল সংখ্যা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; বরং যারা উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন, তাদের অবশ্যই প্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হওয়া প্রয়োজন। একজন পরীক্ষকের নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের ওপরই নির্ভর করে শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়ন।

উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অবহেলা হলে শিক্ষার্থীরা চরম বৈষম্যের শিকার হন। একজন মেধাবী শিক্ষার্থী যদি পরীক্ষকের অমনোযোগিতার কারণে কম নম্বর পান, তবে তার ক্যারিয়ারে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। একইভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীর অযাচিত বেশি নম্বর পাওয়াও অনৈতিক। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরীক্ষকরা খাতা না পড়েই নম্বর প্রদান করেন কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করান, যা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও অনৈতিক।

শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, অনেক সময় পাঠদানে অনিয়মিত বা প্রশ্ন তৈরিতে অদক্ষ শিক্ষকরাও বিপুল পরিমাণ উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব পান। এটি শিক্ষার গুণগত মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে যোগ্য ও ধৈর্যশীল পরীক্ষক তৈরির কোনো বিকল্প নেই।