ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

শিশুদের টিকায় আর ঘাটতি নয়: ৮-১২ মাসের মজুত নিশ্চিত

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলার (এমআর) ১৫ লাখ ডোজ টিকা এবং ৯০ হাজার টিডি টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে। এই চালানের পর দেশে মজুত ও সরবরাহে থাকা টিকা দিয়ে আগামী ৮ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শিশুদের টিকায় কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার (৬ মে) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এই চালান গ্রহণকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে ৮ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে পরিশোধ করেছে, যার মাধ্যমে ১০ ধরনের ৯ কোটি ৫০ লাখ ডোজ টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে গত ৩ মে ১৫ লাখ ডোজ আইপিভি টিকা এবং আজ ৬ মে হাম-রুবেলা (এমআর) ও টিডি টিকার দ্বিতীয় চালান সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী ১০ মে-র মধ্যে আরও প্রায় ১.৮ কোটি ডোজ টিকা দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইউনিসেফ আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে অর্ডারের সম্পূর্ণ টিকা সরবরাহ শেষ করবে। এছাড়া, অতিরিক্ত ৩৫ মিলিয়ন ডলারের ভ্যাকসিনও ইউনিসেফের মাধ্যমে সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে টিসিভি ও এইচপিভি ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন সরবরাহে অন্যান্য ভ্যাকসিনেও আগামী ৮-১২ মাস কোনো ঘাটতি থাকবে না।

বর্তমানে দেশব্যাপী ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ চলমান রয়েছে এবং ইতোমধ্যে প্রায় ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশু টিকা গ্রহণ করেছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৩ শতাংশ। সরকার শতভাগ কভারেজ অর্জনের লক্ষ্যে কার্যক্রম জোরদার করেছে। ১৯৭৯ সাল থেকে পরিচালিত সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) দেশের শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ ৩৯ বছরের শিক্ষকতা শেষে মতলবে প্রধান শিক্ষককে আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা

শিশুদের টিকায় আর ঘাটতি নয়: ৮-১২ মাসের মজুত নিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৭:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলার (এমআর) ১৫ লাখ ডোজ টিকা এবং ৯০ হাজার টিডি টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে। এই চালানের পর দেশে মজুত ও সরবরাহে থাকা টিকা দিয়ে আগামী ৮ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শিশুদের টিকায় কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার (৬ মে) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এই চালান গ্রহণকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে ৮ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে পরিশোধ করেছে, যার মাধ্যমে ১০ ধরনের ৯ কোটি ৫০ লাখ ডোজ টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে গত ৩ মে ১৫ লাখ ডোজ আইপিভি টিকা এবং আজ ৬ মে হাম-রুবেলা (এমআর) ও টিডি টিকার দ্বিতীয় চালান সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী ১০ মে-র মধ্যে আরও প্রায় ১.৮ কোটি ডোজ টিকা দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইউনিসেফ আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে অর্ডারের সম্পূর্ণ টিকা সরবরাহ শেষ করবে। এছাড়া, অতিরিক্ত ৩৫ মিলিয়ন ডলারের ভ্যাকসিনও ইউনিসেফের মাধ্যমে সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে টিসিভি ও এইচপিভি ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন সরবরাহে অন্যান্য ভ্যাকসিনেও আগামী ৮-১২ মাস কোনো ঘাটতি থাকবে না।

বর্তমানে দেশব্যাপী ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ চলমান রয়েছে এবং ইতোমধ্যে প্রায় ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশু টিকা গ্রহণ করেছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৩ শতাংশ। সরকার শতভাগ কভারেজ অর্জনের লক্ষ্যে কার্যক্রম জোরদার করেছে। ১৯৭৯ সাল থেকে পরিচালিত সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) দেশের শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।