ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারের আর্থিক সহায়তা: মিলবে সাড়ে ৭ হাজার টাকা

সম্প্রতি অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় দেশের হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কৃষি ও মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবার কমপক্ষে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে পাবে।

সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে আমাদের কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করছেন। নানা ক্যাটাগরি বিবেচনা করে এই সহায়তা মে থেকে জুলাই পর্যন্ত তিন মাস ধরে প্রদান করা হবে।’ মন্ত্রী আরও জানান, ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনা করে এই সহায়তা বৃদ্ধিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের তহবিল থেকে তাদের জন্য সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যদিও কৃষকদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, হয়তো আমরা তা পুরোপুরি পুষিয়ে দিতে পারব না, তবে যারা এখন মহাবিপদে আছেন, তাদের কিছুটা মানসিক ও আর্থিক স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

তিনি কোরবানির পশুর বিষয়ে বলেন, ‘দেশে পশুর কোনো সংকট নেই। আমরা বর্ডার হাটগুলো বন্ধ রেখেছি এবং বিদেশ থেকে যেন গরু না আসে, সে ব্যবস্থাও করেছি।’ এছাড়া, ডিসি সম্মেলনে আলুর কম দামের বিষয়টি উঠে আসায় তিনি জানান, এই খাদ্যপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে এবং রপ্তানিযোগ্য আলু চাষে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ বছর থেকেই ফ্রেঞ্চফ্রাই ও চিপস তৈরির উপযোগী আলুর চাষ শুরু হয়েছে, যা ভবিষ্যতে রপ্তানির আশা জাগাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইপিএলের মেগা ফাইনাল আহমেদাবাদে, চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করল বিসিসিআই

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারের আর্থিক সহায়তা: মিলবে সাড়ে ৭ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সম্প্রতি অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় দেশের হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কৃষি ও মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবার কমপক্ষে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে পাবে।

সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে আমাদের কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করছেন। নানা ক্যাটাগরি বিবেচনা করে এই সহায়তা মে থেকে জুলাই পর্যন্ত তিন মাস ধরে প্রদান করা হবে।’ মন্ত্রী আরও জানান, ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনা করে এই সহায়তা বৃদ্ধিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের তহবিল থেকে তাদের জন্য সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যদিও কৃষকদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, হয়তো আমরা তা পুরোপুরি পুষিয়ে দিতে পারব না, তবে যারা এখন মহাবিপদে আছেন, তাদের কিছুটা মানসিক ও আর্থিক স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

তিনি কোরবানির পশুর বিষয়ে বলেন, ‘দেশে পশুর কোনো সংকট নেই। আমরা বর্ডার হাটগুলো বন্ধ রেখেছি এবং বিদেশ থেকে যেন গরু না আসে, সে ব্যবস্থাও করেছি।’ এছাড়া, ডিসি সম্মেলনে আলুর কম দামের বিষয়টি উঠে আসায় তিনি জানান, এই খাদ্যপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে এবং রপ্তানিযোগ্য আলু চাষে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ বছর থেকেই ফ্রেঞ্চফ্রাই ও চিপস তৈরির উপযোগী আলুর চাষ শুরু হয়েছে, যা ভবিষ্যতে রপ্তানির আশা জাগাচ্ছে।