ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থমূলক রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম পলক ও সুবীর নন্দী দাস সোমবার সকালে এই আবেদনটি জমা দেন। রিটে ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির বিভিন্ন ধারাকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী ও অযৌক্তিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিট আবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে। চুক্তির শর্তগুলো অসম এবং এর ফলে দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ দায় চাপানো এবং প্রতিকূল শুল্ক ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে বলে আবেদনে অভিযোগ তোলা হয়।

রিটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনকারীদের মতে, এই চুক্তিটি করার সময় দেশের জনকল্যাণ ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এই রিট আবেদনের ওপর বিচারপতিদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জাতীয় পাহাড়ি কৃষি মিশন’ গঠন ও টেকসই সবুজ অর্থনীতির নতুন স্বপ্ন

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থমূলক রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম পলক ও সুবীর নন্দী দাস সোমবার সকালে এই আবেদনটি জমা দেন। রিটে ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির বিভিন্ন ধারাকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী ও অযৌক্তিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিট আবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে। চুক্তির শর্তগুলো অসম এবং এর ফলে দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ দায় চাপানো এবং প্রতিকূল শুল্ক ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে বলে আবেদনে অভিযোগ তোলা হয়।

রিটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনকারীদের মতে, এই চুক্তিটি করার সময় দেশের জনকল্যাণ ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এই রিট আবেদনের ওপর বিচারপতিদের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।