ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

কুকি-চিন সংশ্লিষ্ট মামলায় জামিন জালিয়াতি: হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসার বরখাস্ত

পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) পোশাক তৈরির মামলার প্রধান আসামির জামিন জালিয়াতির ঘটনায় হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসার জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার সকালে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়। জালিয়াতির বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নজরে আসার পর তিনি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তদন্তে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর মালিক সাহেদুল ইসলাম অন্য একটি মামলার নথি ব্যবহার করে আদালতকে বিভ্রান্ত করে জামিন বাগিয়ে নেন। পরবর্তীতে জামিন আদেশের মূল কপিতে কারসাজি করে কেএনএফের মামলার তথ্য ও ধারা বসানো হয়। এই ভুয়া আদেশের মাধ্যমেই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিচার বিভাগীয় তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ মেলে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের একটি গুদাম থেকে কেএনএফের জন্য তৈরি প্রায় ২০ হাজার ৩০০ পোশাক জব্দ করা হয়েছিল। প্রায় ২ কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাকের ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছিল বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে আসে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এই স্পর্শকাতর মামলায় জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়ায় আদালতের প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানকে হারিয়ে স্বস্তিতে আনচেলত্তি: ‘ধৈর্য হারাইনি, এটাই পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স’

কুকি-চিন সংশ্লিষ্ট মামলায় জামিন জালিয়াতি: হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসার বরখাস্ত

আপডেট সময় : ১২:১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) পোশাক তৈরির মামলার প্রধান আসামির জামিন জালিয়াতির ঘটনায় হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসার জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার সকালে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়। জালিয়াতির বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নজরে আসার পর তিনি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তদন্তে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর মালিক সাহেদুল ইসলাম অন্য একটি মামলার নথি ব্যবহার করে আদালতকে বিভ্রান্ত করে জামিন বাগিয়ে নেন। পরবর্তীতে জামিন আদেশের মূল কপিতে কারসাজি করে কেএনএফের মামলার তথ্য ও ধারা বসানো হয়। এই ভুয়া আদেশের মাধ্যমেই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিচার বিভাগীয় তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ মেলে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের একটি গুদাম থেকে কেএনএফের জন্য তৈরি প্রায় ২০ হাজার ৩০০ পোশাক জব্দ করা হয়েছিল। প্রায় ২ কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাকের ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছিল বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে আসে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এই স্পর্শকাতর মামলায় জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়ায় আদালতের প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।