ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: অপতথ্য রুখে সত্য প্রকাশের চ্যালেঞ্জ

আজ ৩ মে, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ বা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এ বছর দিবসটির বৈশ্বিক মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শান্তিময় ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ’। বাংলাদেশে দিবসটি পালনের ক্ষেত্রে ‘জবাবদিহি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম’—এই স্লোগানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৩ মে তারিখটিকে এই দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে প্রতিবছর সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

এ বছর দিবসের মূল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাম্বিয়ার লুসাকায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিপফেক এবং ডিজিটাল নজরদারির ক্রমবর্ধমান প্রসারের ফলে তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা সাংবাদিকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ভুল তথ্য বা অপতথ্যের ভিড়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা টিকিয়ে রাখাই এখন মুখ্য উদ্দেশ্য। গণমাধ্যমকে সমাজের স্বচ্ছ আয়না হিসেবে সচল রাখতে এবং একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ১৭ পদে জনবল নেবে ১৩৯ জন

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: অপতথ্য রুখে সত্য প্রকাশের চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১০:৪২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

আজ ৩ মে, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ বা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এ বছর দিবসটির বৈশ্বিক মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শান্তিময় ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ’। বাংলাদেশে দিবসটি পালনের ক্ষেত্রে ‘জবাবদিহি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম’—এই স্লোগানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৩ মে তারিখটিকে এই দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে প্রতিবছর সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

এ বছর দিবসের মূল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাম্বিয়ার লুসাকায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিপফেক এবং ডিজিটাল নজরদারির ক্রমবর্ধমান প্রসারের ফলে তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা সাংবাদিকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ভুল তথ্য বা অপতথ্যের ভিড়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা টিকিয়ে রাখাই এখন মুখ্য উদ্দেশ্য। গণমাধ্যমকে সমাজের স্বচ্ছ আয়না হিসেবে সচল রাখতে এবং একটি শান্তিময় বিশ্ব গড়তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।