ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুলের করুণ পরিণতি: ছদ্মনামে থেকেও মেলেনি নিস্তার

২০০৯ সালের পিলখানা বিডিআর সদর দপ্তরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম মল্লিকের করুণ মৃত্যু নিয়ে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঘটনার সময় বিডিআর হাসপাতালের মেডিকেল সহকারী হিসেবে কর্মরত নজরুল সেই ভয়াবহতা দেখে প্রাণভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। ছদ্মনাম ধারণ করে আত্মগোপনে থেকেও শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের হাত থেকে বাঁচতে পারেননি তিনি। গুম করার পর তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নজরুলের স্ত্রী মুন্নী আক্তার স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে গুম ও খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে, যার বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নজরুল পিলখানা থেকে পালিয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ‘নুরুল আমীন মুন্সী’ নামে একটি ক্লিনিকে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ২০১০ সালের ১৫ মার্চ সাদা পোশাকের কিছু লোক তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার পর তার পরিবারের সদস্যরা এখন এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার দাবি করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১২৬১

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুলের করুণ পরিণতি: ছদ্মনামে থেকেও মেলেনি নিস্তার

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

২০০৯ সালের পিলখানা বিডিআর সদর দপ্তরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম মল্লিকের করুণ মৃত্যু নিয়ে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঘটনার সময় বিডিআর হাসপাতালের মেডিকেল সহকারী হিসেবে কর্মরত নজরুল সেই ভয়াবহতা দেখে প্রাণভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। ছদ্মনাম ধারণ করে আত্মগোপনে থেকেও শেষ পর্যন্ত ঘাতকদের হাত থেকে বাঁচতে পারেননি তিনি। গুম করার পর তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নজরুলের স্ত্রী মুন্নী আক্তার স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে গুম ও খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে, যার বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নজরুল পিলখানা থেকে পালিয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ‘নুরুল আমীন মুন্সী’ নামে একটি ক্লিনিকে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ২০১০ সালের ১৫ মার্চ সাদা পোশাকের কিছু লোক তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার পর তার পরিবারের সদস্যরা এখন এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার দাবি করছেন।