ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাসে মধ্যরাতে চিরুনি অভিযান: অবৈধ শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ

ঢাকা কলেজের আবাসিক হলগুলোতে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিতে মধ্যরাতে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে কলেজ প্রশাসন। শুক্রবার দিবাগত রাতে দক্ষিণ ছাত্রাবাসের সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক আনোয়ার মাহমুদের নেতৃত্বে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মূলত মাস্টার্স শেষ করা এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের দ্রুত হল ছাড়ার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালীন দেখা যায়, হল প্রভোস্টরা প্রতিটি কক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নথিপত্র যাচাই করছেন। প্রশাসনের কঠোর অবস্থান দেখে অনেক মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী হলের বাইরে চলে যান। প্রভোস্টরা সাফ জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেছে, তাই অবিলম্বে সবাইকে হল ছাড়তে হবে। অনার্স পাসের পর কোনো অজুহাতেই আর হলে অবস্থান করা যাবে না এবং সবার জন্য একই নিয়ম কার্যকর হবে।

এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কিছু বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থীদের ওপর কড়াকড়ি করা হলেও ২০১৫-১৬ সেশনের অনেক পুরনো শিক্ষার্থী এখনো রাজনৈতিক প্রভাবে হলে অবস্থান করছেন, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া হল ছাড়ার পর আসন বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজাগামী ত্রাণবহর থেকে আটক দুই বিদেশি কর্মীকে আদালতে তুলছে ইসরাইল

ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাসে মধ্যরাতে চিরুনি অভিযান: অবৈধ শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ

আপডেট সময় : ০২:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ঢাকা কলেজের আবাসিক হলগুলোতে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিতে মধ্যরাতে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে কলেজ প্রশাসন। শুক্রবার দিবাগত রাতে দক্ষিণ ছাত্রাবাসের সাবেক প্রভোস্ট অধ্যাপক আনোয়ার মাহমুদের নেতৃত্বে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মূলত মাস্টার্স শেষ করা এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের দ্রুত হল ছাড়ার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালীন দেখা যায়, হল প্রভোস্টরা প্রতিটি কক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নথিপত্র যাচাই করছেন। প্রশাসনের কঠোর অবস্থান দেখে অনেক মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী হলের বাইরে চলে যান। প্রভোস্টরা সাফ জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেছে, তাই অবিলম্বে সবাইকে হল ছাড়তে হবে। অনার্স পাসের পর কোনো অজুহাতেই আর হলে অবস্থান করা যাবে না এবং সবার জন্য একই নিয়ম কার্যকর হবে।

এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কিছু বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থীদের ওপর কড়াকড়ি করা হলেও ২০১৫-১৬ সেশনের অনেক পুরনো শিক্ষার্থী এখনো রাজনৈতিক প্রভাবে হলে অবস্থান করছেন, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া হল ছাড়ার পর আসন বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।