ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

নিউমার্কেটে প্রকাশ্যে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে হত্যা

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শাহ নেওয়াজ ছাত্রাবাসের পাশে দুর্বৃত্তদের গুলিতে খন্দকার নঈম আহমেদ টিটন (৫৮) নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে মাস্ক পরিহিত এক হামলাকারী অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টিটনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারী পরিকল্পিতভাবে টিটনের মাথায় গুলি করে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

নিহত টিটন নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে অপরাধ জগতে পরিচিতি পান এবং মোহাম্মদপুরের হারিছ-জোসেফ গ্রুপের সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকার পর সম্প্রতি তিনি মুক্তি পেয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ঘোষিত শীর্ষ ২৩ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম ছিল। আদালত থেকে জামিনে থাকলেও নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটে ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ সুবিধা: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকারের পদক্ষেপ

নিউমার্কেটে প্রকাশ্যে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে হত্যা

আপডেট সময় : ১১:১৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শাহ নেওয়াজ ছাত্রাবাসের পাশে দুর্বৃত্তদের গুলিতে খন্দকার নঈম আহমেদ টিটন (৫৮) নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে মাস্ক পরিহিত এক হামলাকারী অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টিটনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারী পরিকল্পিতভাবে টিটনের মাথায় গুলি করে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

নিহত টিটন নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে অপরাধ জগতে পরিচিতি পান এবং মোহাম্মদপুরের হারিছ-জোসেফ গ্রুপের সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকার পর সম্প্রতি তিনি মুক্তি পেয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ঘোষিত শীর্ষ ২৩ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম ছিল। আদালত থেকে জামিনে থাকলেও নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।