ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

পানির সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে বিএনপি নেতার বাড়িতে চুরি, আটক ৫

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে। পানির সাথে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে বাড়ির সবাইকে অচেতন করে ডাকাতির ঘটনায় বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজাহারুল ইসলামের বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী আজাহারুল ইসলাম জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেলিপাড়া এলাকার একটি ইটভাটার ৭-৮ জন শ্রমিক পাখি শিকারের অজুহাতে তার বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। নিজেদের পাখি শিকারি হিসেবে পরিচয় দিলেও তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, সোমবার রাতে পরিবারের সবাই খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর ঘুমের কারণে পরদিন সকালে তাদের ঘুম ভাঙতে দেরি হয়। পরে পানির ট্যাংকির ঢাকনা খোলা দেখতে পেয়ে তারা ধারণা করেন যে, পানির সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সোমবার দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ চোরের দল বাড়ির প্রধান ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর ঘরের দরজা খুলে আলমারি থেকে নগদ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, চার ভরি স্বর্ণালংকার এবং প্রায় ১৫ ভরি রুপাসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিক হোসেন জানিয়েছেন, চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারেদেসের শাস্তির বিরুদ্ধে মুখ খুললেন গাভি: ‘ফুটবলের অংশই ছিল’

পানির সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে বিএনপি নেতার বাড়িতে চুরি, আটক ৫

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে। পানির সাথে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে বাড়ির সবাইকে অচেতন করে ডাকাতির ঘটনায় বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজাহারুল ইসলামের বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী আজাহারুল ইসলাম জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেলিপাড়া এলাকার একটি ইটভাটার ৭-৮ জন শ্রমিক পাখি শিকারের অজুহাতে তার বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। নিজেদের পাখি শিকারি হিসেবে পরিচয় দিলেও তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, সোমবার রাতে পরিবারের সবাই খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর ঘুমের কারণে পরদিন সকালে তাদের ঘুম ভাঙতে দেরি হয়। পরে পানির ট্যাংকির ঢাকনা খোলা দেখতে পেয়ে তারা ধারণা করেন যে, পানির সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সোমবার দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ চোরের দল বাড়ির প্রধান ফটক টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর ঘরের দরজা খুলে আলমারি থেকে নগদ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, চার ভরি স্বর্ণালংকার এবং প্রায় ১৫ ভরি রুপাসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিক হোসেন জানিয়েছেন, চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।