ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ঈদগাঁওয়ে ইউপি সদস্যের বর্বরোচিত নির্যাতন: চিকিৎসাধীন তরুণের মৃত্যু, শোকে মায়ের স্ট্রোক

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে ইউপি সদস্যের অমানুষিক নির্যাতনের শিকার তরুণ ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী বাবু (৩২) দীর্ঘ ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সেলিম ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য নাপিত খালী এলাকার সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে।

পুত্রের অকাল মৃত্যুর খবর শুনে মা দিলদার বেগম শোকে ভেঙে পড়েন এবং তাৎক্ষণিকভাবে স্ট্রোক করেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল রাতে মাছ চুরির অপবাদে সেলিমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রাতভর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালান স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদ ও তার সহযোগীরা। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন সেলিমের স্ত্রীও। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

এদিকে সেলিমের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি উঠেছে। ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান, এ ঘটনায় ভিকটিমের মা আগেই একটি মামলা দায়ের করেছিলেন, যা এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: মহাসড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বিঘ্নিত

ঈদগাঁওয়ে ইউপি সদস্যের বর্বরোচিত নির্যাতন: চিকিৎসাধীন তরুণের মৃত্যু, শোকে মায়ের স্ট্রোক

আপডেট সময় : ১০:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে ইউপি সদস্যের অমানুষিক নির্যাতনের শিকার তরুণ ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী বাবু (৩২) দীর্ঘ ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সেলিম ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য নাপিত খালী এলাকার সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে।

পুত্রের অকাল মৃত্যুর খবর শুনে মা দিলদার বেগম শোকে ভেঙে পড়েন এবং তাৎক্ষণিকভাবে স্ট্রোক করেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল রাতে মাছ চুরির অপবাদে সেলিমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রাতভর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালান স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদ ও তার সহযোগীরা। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন সেলিমের স্ত্রীও। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

এদিকে সেলিমের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি উঠেছে। ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান, এ ঘটনায় ভিকটিমের মা আগেই একটি মামলা দায়ের করেছিলেন, যা এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।