কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এই ঘটনার জেরে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির দুটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ছয় সদস্যও আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ এপ্রিল রাতে পৌর এলাকার বৈদ্দেরখীল গ্রামে মাদক নিয়ে বারেক মিয়ার ছেলে আবু রশিদ এবং মানিক মিয়ার ছেলে নাদিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে নাদিরের পক্ষের লোকজন আবু রশিদকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে আবু রশিদের ছেলে আসিফ ও পারভেজ দলবল নিয়ে নাদিরের পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বশির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হন।
উভয় পক্ষের আহতদের প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর সোমবার রাতে বশির উদ্দিন ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান।
বশিরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ভোর রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা আবু রশিদের দুটি বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়, যা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে নিয়ন্ত্রণে আনে।
চৌদ্দগ্রাম থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় উভয় পরিবার থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত জনতা তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে, এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















