যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘ওপেনএআই’-কে ফৌজদারি তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমিয়ার জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও মরদেহ গুম করার পরিকল্পনায় চ্যাটজিপিটির সহায়তা নিয়েছিলেন কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহত শিক্ষার্থীরা হলেন ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার জামিল লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। আদালতের নথিতে দেখা গেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়াহ ঘটনার আগে চ্যাটজিপিটির কাছে মরদেহ গুম করা এবং পুলিশের নজরদারি এড়ানোর বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেছিলেন। বিশেষ করে কালো আবর্জনার ব্যাগে মরদেহ ফেলে দিলে কী হতে পারে বা গাড়ির শনাক্তকরণ নম্বর পরিবর্তন করা সম্ভব কি না—এমন সব স্পর্শকাতর বিষয়ে সে চ্যাটবটটির সাহায্য চেয়েছিল।
তদন্ত কর্মকর্তাদের দাবি, অভিযুক্তের ফোনের লোকেশন এবং চ্যাটজিপিটির সাথে তার কথোপকথনের সময় বিশ্লেষণ করে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে প্রযুক্তির অপব্যবহারের জোরালো যোগসূত্র পাওয়া গেছে। এর আগে ফ্লোরিডার অন্য একটি হামলার পরিকল্পনায় চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার এই জোড়া খুনের মামলাতেও ওপেনএআই-এর দায়বদ্ধতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রিপোর্টারের নাম 























