ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মধ্যরাতে জ্বালানি তেল পাচারকালে গাড়ি ও সরঞ্জাম জব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় মধ্যরাতে জ্বালানি তেল পাচারের সময় পুলিশ একটি তেলবাহী গাড়ি, ট্রলি ও ড্রাম জব্দ করেছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সোনাজল বিল এলাকার হিরো ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে এই গাড়িগুলো জব্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে একটি তেলবাহী গাড়ি ইটভাটার ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে ড্রামের মাধ্যমে তেল খালাস করে ট্রলিতে তুলে পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। খবর পেয়ে এসআই মো. শাখাওয়াত হোসেন, কামাল হোসেন এবং মো. শাহীন আলম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পাচারচক্রের সদস্যরা গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তেলবাহী গাড়ি পাচারে ব্যবহৃত ট্রলি ও ভটভটিসহ মোট আটটি গাড়ি এবং ড্রাম জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল লতিফ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জব্দ করা তেল তাদের স্টেশনের নয়। তিনি জানান, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড থেকে তার ফিলিং স্টেশনের নামে ২৮ তারিখে তেল বরাদ্দ রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) মো. হাসান তারেক জানিয়েছেন, তেল পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পাচারকারী চক্র পালিয়ে যায়। তেলবাহী গাড়ি ও পাচারে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে তেলগুলো কোন ফিলিং স্টেশনের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল সে তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তিনি আশ্বাস দেন যে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন: মতলব উত্তরে মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মধ্যরাতে জ্বালানি তেল পাচারকালে গাড়ি ও সরঞ্জাম জব্দ

আপডেট সময় : ০৩:২০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় মধ্যরাতে জ্বালানি তেল পাচারের সময় পুলিশ একটি তেলবাহী গাড়ি, ট্রলি ও ড্রাম জব্দ করেছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সোনাজল বিল এলাকার হিরো ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে এই গাড়িগুলো জব্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে একটি তেলবাহী গাড়ি ইটভাটার ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে ড্রামের মাধ্যমে তেল খালাস করে ট্রলিতে তুলে পাচারের প্রস্তুতি চলছিল। খবর পেয়ে এসআই মো. শাখাওয়াত হোসেন, কামাল হোসেন এবং মো. শাহীন আলম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পাচারচক্রের সদস্যরা গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তেলবাহী গাড়ি পাচারে ব্যবহৃত ট্রলি ও ভটভটিসহ মোট আটটি গাড়ি এবং ড্রাম জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল লতিফ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জব্দ করা তেল তাদের স্টেশনের নয়। তিনি জানান, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড থেকে তার ফিলিং স্টেশনের নামে ২৮ তারিখে তেল বরাদ্দ রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) মো. হাসান তারেক জানিয়েছেন, তেল পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পাচারকারী চক্র পালিয়ে যায়। তেলবাহী গাড়ি ও পাচারে ব্যবহৃত গাড়ি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে তেলগুলো কোন ফিলিং স্টেশনের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল সে তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তিনি আশ্বাস দেন যে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।