ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

‘পিজন মাফিয়া’র কবলে কোটি ডলারের রেসিং কবুতর: আন্তর্জাতিক চোরচক্রের নতুন লক্ষ্য

বিশ্বজুড়ে অভিজাত রেসিং কবুতর শিল্প এখন এক সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের কবলে পড়েছে। অত্যন্ত মূল্যবান ও বিশেষ প্রজাতির এসব কবুতর বর্তমানে চোরদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এই অপরাধী চক্রটিকে এখন ‘পিজন মাফিয়া’ নামে ডাকা হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চমূল্যের কবুতর চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

মার্কিন গণমাধ্যম ‘সিক্সটি মিনিটস’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বেলজিয়ামের ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চল, যা বিশ্বের সেরা রেসিং কবুতরের প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সেখানে গত কয়েক বছরে অসংখ্য চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব কবুতরের একেকটির দাম কয়েক লাখ থেকে শুরু করে কোটি ডলার পর্যন্ত হতে পারে। গত তিন বছরে সেখানে অন্তত ৩৫টি বড় ধরনের চুরির ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব কবুতর চুরি করে অবৈধ প্রজননের মাধ্যমে কালোবাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

বেলজিয়ামের প্রখ্যাত কবুতর প্রজননকারী টম ভ্যান গ্যাভার জানান, তার খামারের কিংবদন্তি কবুতর ‘ফিন’ চুরির ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তিনি একে ‘পাখির জগতের মোনালিসা চুরি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। মূলত চীন ও মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ক্রেতাদের কাছে এই রেসিং কবুতরের বিশাল চাহিদা থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম আকাশচুম্বী। একেকটি কবুতর নিলামে ১০ লাখ ডলার পর্যন্ত বিক্রি হওয়ার রেকর্ড রয়েছে, যা এই অপরাধচক্রকে আরও প্রলুব্ধ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতদিয়া ঘাটে ২৫ কেজির পাঙাশ বিক্রি ৭১ হাজার টাকায়

‘পিজন মাফিয়া’র কবলে কোটি ডলারের রেসিং কবুতর: আন্তর্জাতিক চোরচক্রের নতুন লক্ষ্য

আপডেট সময় : ০২:০১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বজুড়ে অভিজাত রেসিং কবুতর শিল্প এখন এক সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের কবলে পড়েছে। অত্যন্ত মূল্যবান ও বিশেষ প্রজাতির এসব কবুতর বর্তমানে চোরদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এই অপরাধী চক্রটিকে এখন ‘পিজন মাফিয়া’ নামে ডাকা হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চমূল্যের কবুতর চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

মার্কিন গণমাধ্যম ‘সিক্সটি মিনিটস’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বেলজিয়ামের ফ্ল্যান্ডার্স অঞ্চল, যা বিশ্বের সেরা রেসিং কবুতরের প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সেখানে গত কয়েক বছরে অসংখ্য চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব কবুতরের একেকটির দাম কয়েক লাখ থেকে শুরু করে কোটি ডলার পর্যন্ত হতে পারে। গত তিন বছরে সেখানে অন্তত ৩৫টি বড় ধরনের চুরির ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব কবুতর চুরি করে অবৈধ প্রজননের মাধ্যমে কালোবাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

বেলজিয়ামের প্রখ্যাত কবুতর প্রজননকারী টম ভ্যান গ্যাভার জানান, তার খামারের কিংবদন্তি কবুতর ‘ফিন’ চুরির ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তিনি একে ‘পাখির জগতের মোনালিসা চুরি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। মূলত চীন ও মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ক্রেতাদের কাছে এই রেসিং কবুতরের বিশাল চাহিদা থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম আকাশচুম্বী। একেকটি কবুতর নিলামে ১০ লাখ ডলার পর্যন্ত বিক্রি হওয়ার রেকর্ড রয়েছে, যা এই অপরাধচক্রকে আরও প্রলুব্ধ করছে।