বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়ার সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজতর করা এবং সৌদি আরবে অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ নিশ্চিত করতে বর্তমানে ৭৩টি পেশায় চালু থাকা ‘দক্ষতা যাচাইকরণ প্রোগ্রাম’-এর পরিধি আরও বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ‘প্রবাসী কার্ড’-এর মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
সৌদি আরবে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণের পাশাপাশি হোয়াইট কলার চাকরিতে কর্মী নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে (টিটিসি) সৌদি আরবের মানদণ্ড অনুযায়ী আধুনিকায়ন এবং যৌথ তদারকিতে পরিচালনার জন্য সৌদি আরবের সহায়তা কামনা করেন। এছাড়া, যাচাইকৃত ও দক্ষ কর্মীদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ বা ‘কোয়ালিফাইড ট্যালেন্ট ব্যাংক’ তৈরির ওপর জোর দেন, যা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কয়েক সপ্তাহ থেকে মাত্র কয়েক দিনে নামিয়ে আনতে সহায়ক হবে। জনশক্তি নিয়োগে যেকোনো ধরনের অবৈধ লেনদেন, অনিয়ম বা কর্মী হয়রানির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও তিনি রাষ্ট্রদূতকে স্পষ্টভাবে অবহিত করেন।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী, সৌদি দূতাবাসের কনসুল্যার আব্দুল্লাহ আল-হারবিসহ প্রবাসী কল্যাণ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























