ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক লড়াইয়ে ইরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘কার্ড’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছেন এবং বলেছেন যে দেশটি ইতোমধ্যে তার শক্তির একটি বড় অংশ হারিয়েছে।
রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ এই বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। তিনি একটি সমীকরণের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে একদিকে রয়েছে ইরানের সরবরাহভিত্তিক সক্ষমতা—যেমন হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং তেলের পাইপলাইন। অন্যদিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদাভিত্তিক পদক্ষেপ—যেমন কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ এবং সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়।
গালিবাফ জানান, তেহরানের কাছে এখনো এমন কিছু বিকল্প রয়েছে যা এখনো ব্যবহার করা হয়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে তার অনেকগুলো হাতিয়ার প্রয়োগ করেছে বা আংশিকভাবে ব্যবহার করেছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তারা কার্ড নিয়ে বড়াই করছে। দেখা যাক—সরবরাহ কার্ড বনাম চাহিদা কার্ড।’ তিনি আরও বলেন যে, হরমুজ প্রণালির কার্ড আংশিকভাবে ব্যবহৃত হলেও বাব এল-মান্দেব প্রণালি ও পাইপলাইন কার্ড এখনো অব্যবহৃত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কার্ড হিসেবে তিনি মজুত থেকে তেল ছাড়া এবং চাহিদা নিয়ন্ত্রণের কথা উল্লেখ করেন, যা আংশিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও মূল্য সমন্বয় হতে পারে। গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখার কথা বলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























