ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা পদে সৈয়দ আবদাল আহমদের নিয়োগ: জাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের অভিনন্দন

বিশিষ্ট সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ আবদাল আহমদ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) পদে নিয়োগ পাওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীন এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিনন্দন জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন যে, সৈয়দ আবদাল আহমদ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে উচ্চশিক্ষা শেষ করে ১৯৮২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’র বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল, সাপ্তাহিক বিচিত্রা এবং দৈনিক আমার দেশসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সৈয়দ আবদাল আহমদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ১৯৯২-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় তার অনন্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৯ সালে মর্যাদাপূর্ণ ‘ফিলিপস পুরস্কার’, ‘এসকাপ-এএফইজেবি পুরস্কার’ এবং ২০২৫ সালে ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আজীবন সম্মাননা’ লাভ করেন। ২০টিরও বেশি সৃজনশীল গ্রন্থের প্রণেতা হিসেবে বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠনেও তার অবদান অনস্বীকার্য।

শিক্ষক ফোরামের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধান তথ্য কর্মকর্তার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে তার মতো একজন অভিজ্ঞ, দায়িত্বশীল ও রাষ্ট্রসচেতন ব্যক্তির নিয়োগ রাষ্ট্রের তথ্যপ্রবাহকে আরও গতিশীল, পেশাদার ও গণমুখী করবে। তারা আশা করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীর এই গৌরবময় অর্জন বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বিবৃতিতে তারা সৈয়দ আবদাল আহমদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু

তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা পদে সৈয়দ আবদাল আহমদের নিয়োগ: জাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের অভিনন্দন

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বিশিষ্ট সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ আবদাল আহমদ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) পদে নিয়োগ পাওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দীন এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিনন্দন জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন যে, সৈয়দ আবদাল আহমদ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে উচ্চশিক্ষা শেষ করে ১৯৮২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’র বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল, সাপ্তাহিক বিচিত্রা এবং দৈনিক আমার দেশসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সৈয়দ আবদাল আহমদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ১৯৯২-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় তার অনন্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৯ সালে মর্যাদাপূর্ণ ‘ফিলিপস পুরস্কার’, ‘এসকাপ-এএফইজেবি পুরস্কার’ এবং ২০২৫ সালে ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আজীবন সম্মাননা’ লাভ করেন। ২০টিরও বেশি সৃজনশীল গ্রন্থের প্রণেতা হিসেবে বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠনেও তার অবদান অনস্বীকার্য।

শিক্ষক ফোরামের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধান তথ্য কর্মকর্তার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে তার মতো একজন অভিজ্ঞ, দায়িত্বশীল ও রাষ্ট্রসচেতন ব্যক্তির নিয়োগ রাষ্ট্রের তথ্যপ্রবাহকে আরও গতিশীল, পেশাদার ও গণমুখী করবে। তারা আশা করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীর এই গৌরবময় অর্জন বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বিবৃতিতে তারা সৈয়দ আবদাল আহমদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।