পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে একটি তেলের পাম্পে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সবুজ কুমার বসাকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে দেবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সুনির্দিষ্টভাবে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পেশকার সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন। থানা সূত্রে জানা গেছে, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্তদের ধরতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। সম্ভাব্য সব স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আরও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট তেলের পাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার ভোর থেকেই পেট্রোল সরবরাহের খবর পেয়ে পাম্পটিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সরবরাহ কার্যক্রম পরিদর্শনে সেখানে যান ইউএনও সবুজ কুমার বসাক। তিনি ফুয়েল কার্ড, মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালকদের সরে যেতে নির্দেশ দেন। এ সময় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় দুই মোটরসাইকেলচালককে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করেন ইউএনও।
এই ঘটনার পর লাইনে অপেক্ষারত কয়েকজন মোটরসাইকেলচালক ক্ষিপ্ত হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা ইউএনও এবং তার সঙ্গে থাকা আনসার সদস্যদের দিকে তেড়ে আসেন। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় ইউএনওকে পাশের একটি নিরাপদ বাড়িতে সরিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, হামলাকারীরা আনসার সদস্য তৈয়বুর রহমানকে মারধর করে তার অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেছিল। দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক জানিয়েছেন, মামলা রুজু হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























