ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দিনাজপুরে ব্রির ‘রাইস গার্ডেন’: আধুনিক ধান চাষে কৃষকদের নতুন দিগন্ত

দিনাজপুরে আধুনিক ধান চাষের সম্প্রসারণ ও কৃষকদের প্রযুক্তিগত ধারণা দিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জেলার সদর উপজেলার কাউগাঁ এলাকায় ২০২৫-২৬ বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে স্থাপন করা হয়েছে ‘রাইস গার্ডেন’। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং কৃষকদের হাতে-কলমে উন্নত জাতের ধান সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।

স্থাপিত এই ‘রাইস গার্ডেন’ স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি জীবন্ত পাঠশালা হিসেবে কাজ করছে। এখানে বিভিন্ন জাতের ধানের গঠন, বৃদ্ধির পর্যায়, রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং ফলনের গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে। এর ফলে কৃষকেরা সরাসরি বিভিন্ন জাতের তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং তাদের নিজ নিজ এলাকার পরিবেশ ও ঋতু অনুযায়ী সবচেয়ে উপযোগী জাতটি বেছে নিতে পারছেন। এতে আধুনিক চাষাবাদে কৃষকদের আগ্রহ যেমন বাড়ছে, তেমনি সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হচ্ছে।

ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিমা জাহান জানান, রাইস গার্ডেনের মাধ্যমে কৃষকেরা একই স্থানে বিভিন্ন উন্নত জাত দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। এটি তাদের আগামী মৌসুমের চাষাবাদ পরিকল্পনায় বড় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসান জানান, কৃষকদের ইতিবাচক সাড়াকে কেন্দ্র করে আগামী আউশ ও আমন মৌসুমেও এ ধরনের প্রদর্শনী ক্ষেত্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। বর্তমানে এই প্রযুক্তি গ্রামটি স্থানীয় কৃষক ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত কক্সবাজার: পর্যটকশূন্য সৈকত ও কোটি টাকার ক্ষতি

দিনাজপুরে ব্রির ‘রাইস গার্ডেন’: আধুনিক ধান চাষে কৃষকদের নতুন দিগন্ত

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

দিনাজপুরে আধুনিক ধান চাষের সম্প্রসারণ ও কৃষকদের প্রযুক্তিগত ধারণা দিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জেলার সদর উপজেলার কাউগাঁ এলাকায় ২০২৫-২৬ বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে স্থাপন করা হয়েছে ‘রাইস গার্ডেন’। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং কৃষকদের হাতে-কলমে উন্নত জাতের ধান সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।

স্থাপিত এই ‘রাইস গার্ডেন’ স্থানীয় কৃষকদের জন্য একটি জীবন্ত পাঠশালা হিসেবে কাজ করছে। এখানে বিভিন্ন জাতের ধানের গঠন, বৃদ্ধির পর্যায়, রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং ফলনের গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে। এর ফলে কৃষকেরা সরাসরি বিভিন্ন জাতের তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং তাদের নিজ নিজ এলাকার পরিবেশ ও ঋতু অনুযায়ী সবচেয়ে উপযোগী জাতটি বেছে নিতে পারছেন। এতে আধুনিক চাষাবাদে কৃষকদের আগ্রহ যেমন বাড়ছে, তেমনি সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হচ্ছে।

ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিমা জাহান জানান, রাইস গার্ডেনের মাধ্যমে কৃষকেরা একই স্থানে বিভিন্ন উন্নত জাত দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। এটি তাদের আগামী মৌসুমের চাষাবাদ পরিকল্পনায় বড় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসান জানান, কৃষকদের ইতিবাচক সাড়াকে কেন্দ্র করে আগামী আউশ ও আমন মৌসুমেও এ ধরনের প্রদর্শনী ক্ষেত্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। বর্তমানে এই প্রযুক্তি গ্রামটি স্থানীয় কৃষক ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।