ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জে শ্রমিক ও হারভেস্টার সংকট: কাটার অপেক্ষায় মাঠেই নষ্ট হচ্ছে পাকা ধান

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুমে তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে পর্যাপ্ত হারভেস্টার মেশিন না থাকায় মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। যদিও সরকারিভাবে কয়েকটি এলাকায় হারভেস্টার মেশিন বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে হাওরে সেগুলোর কোনো উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় চাষিরা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাওর ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ ধান পেকে সোনালি রঙ ধারণ করেছে। তবে একসঙ্গে সব জমির ধান পেকে যাওয়ায় শ্রমিকের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। এই সুযোগে শ্রমিকের মজুরিও আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতি একর জমির ধান কাটতে শ্রমিকদের ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অথচ হারভেস্টার মেশিন দিয়ে কাটলে এই খরচ অনেক কম হতো।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে সিলেট বিভাগে টানা অতিবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে হাওরের ফসল তলিয়ে যাওয়ার ভয় কাজ করছে কৃষকদের মনে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে দ্রুত ধান কাটার মাইকিং করা হলেও শ্রমিক ও যন্ত্রের অভাবে নিরুপায় হয়ে আকাশের দিকে চেয়ে আছেন আজমিরীগঞ্জের হাজারো কৃষক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত কক্সবাজার: পর্যটকশূন্য সৈকত ও কোটি টাকার ক্ষতি

হবিগঞ্জে শ্রমিক ও হারভেস্টার সংকট: কাটার অপেক্ষায় মাঠেই নষ্ট হচ্ছে পাকা ধান

আপডেট সময় : ০৬:২০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুমে তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে পর্যাপ্ত হারভেস্টার মেশিন না থাকায় মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। যদিও সরকারিভাবে কয়েকটি এলাকায় হারভেস্টার মেশিন বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে হাওরে সেগুলোর কোনো উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় চাষিরা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাওর ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ ধান পেকে সোনালি রঙ ধারণ করেছে। তবে একসঙ্গে সব জমির ধান পেকে যাওয়ায় শ্রমিকের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। এই সুযোগে শ্রমিকের মজুরিও আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতি একর জমির ধান কাটতে শ্রমিকদের ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অথচ হারভেস্টার মেশিন দিয়ে কাটলে এই খরচ অনেক কম হতো।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে সিলেট বিভাগে টানা অতিবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে হাওরের ফসল তলিয়ে যাওয়ার ভয় কাজ করছে কৃষকদের মনে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে দ্রুত ধান কাটার মাইকিং করা হলেও শ্রমিক ও যন্ত্রের অভাবে নিরুপায় হয়ে আকাশের দিকে চেয়ে আছেন আজমিরীগঞ্জের হাজারো কৃষক।