ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় অসহনীয় তাপপ্রবাহ, জনজীবন বিপর্যস্ত; তাপমাত্রা ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দিনের বেলায় আরও বৃদ্ধি পায়। দুপুর ৩টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৭ ডিগ্রি এবং দুপুর ১২টায় ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গার আকাশ যেন আগুন ঝরাচ্ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং। ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, তাদের আওতায় ৮৪ হাজার গ্রাহকের জন্য দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ১০৫ মেগাওয়াট হলেও তারা নিয়মিত মাত্র ৭৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। ফলে প্রায় ৩০ শতাংশ বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ওয়েস্ট জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিবও প্রায় একই ধরনের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেছেন।

শহরের বিভিন্ন এলাকায় স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, দিনমজুর, শ্রমিক এবং রিকশাচালকদের তীব্র রোদে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬২ শতাংশ, যা গরমের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমবাপ্পের চোট: রিয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রান্স শিবিরে উদ্বেগ

চুয়াডাঙ্গায় অসহনীয় তাপপ্রবাহ, জনজীবন বিপর্যস্ত; তাপমাত্রা ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আপডেট সময় : ১০:২৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দিনের বেলায় আরও বৃদ্ধি পায়। দুপুর ৩টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৭ ডিগ্রি এবং দুপুর ১২টায় ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গার আকাশ যেন আগুন ঝরাচ্ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং। ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, তাদের আওতায় ৮৪ হাজার গ্রাহকের জন্য দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ১০৫ মেগাওয়াট হলেও তারা নিয়মিত মাত্র ৭৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। ফলে প্রায় ৩০ শতাংশ বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ওয়েস্ট জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিবও প্রায় একই ধরনের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেছেন।

শহরের বিভিন্ন এলাকায় স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, দিনমজুর, শ্রমিক এবং রিকশাচালকদের তীব্র রোদে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬২ শতাংশ, যা গরমের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে।