ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ: আফগান শরণার্থীদের কঙ্গোতে পাঠানোর তোড়জোড়

আফগান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে জীবন বাজি রেখে সহায়তা করা ১,১০০ জন আফগান নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় না দিয়ে কঙ্গোতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। অলাভজনক সংস্থা ‘আফগানইভ্যাক’-এর বরাতে জানা গেছে, কাতারের ক্যাম্পে আটকে থাকা এসব শরণার্থীদের ভাগ্য নিয়ে এখন নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারে অবস্থানরত এই ১,১০০ জনের মধ্যে অন্তত ৯০০ জন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের আইনি যোগ্যতা রাখেন। তাদের মধ্যে ৭০০ জনের বেশি নারী ও শিশু রয়েছে। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ বন্ধ করে দিয়ে আফ্রিকার সংঘাতময় দেশ কঙ্গোতে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছে। অথচ কঙ্গো নিজেই বর্তমানে কয়েক দশকের যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতি সংকটে জর্জরিত।

মানবাধিকার কর্মীদের মতে, যারা মার্কিন বাহিনীকে সহায়তা করেছে, তাদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ দেশে পাঠানো এক ধরণের বিশ্বাসঘাতকতা। দোভাষী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় দেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টিকে ‘স্বেচ্ছামূলক’ বললেও, কাতারের ক্যাম্পে থাকা আফগানদের সামনে বিকল্প পথ খুবই সীমিত হয়ে পড়ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার পানি কমলেও বেড়েছে নদীভাঙন, গাইবান্ধায় চরাঞ্চলের মানুষের দুর্দশা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ: আফগান শরণার্থীদের কঙ্গোতে পাঠানোর তোড়জোড়

আপডেট সময় : ০১:৫১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

আফগান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে জীবন বাজি রেখে সহায়তা করা ১,১০০ জন আফগান নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় না দিয়ে কঙ্গোতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। অলাভজনক সংস্থা ‘আফগানইভ্যাক’-এর বরাতে জানা গেছে, কাতারের ক্যাম্পে আটকে থাকা এসব শরণার্থীদের ভাগ্য নিয়ে এখন নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারে অবস্থানরত এই ১,১০০ জনের মধ্যে অন্তত ৯০০ জন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের আইনি যোগ্যতা রাখেন। তাদের মধ্যে ৭০০ জনের বেশি নারী ও শিশু রয়েছে। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ বন্ধ করে দিয়ে আফ্রিকার সংঘাতময় দেশ কঙ্গোতে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছে। অথচ কঙ্গো নিজেই বর্তমানে কয়েক দশকের যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতি সংকটে জর্জরিত।

মানবাধিকার কর্মীদের মতে, যারা মার্কিন বাহিনীকে সহায়তা করেছে, তাদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ দেশে পাঠানো এক ধরণের বিশ্বাসঘাতকতা। দোভাষী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় দেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টিকে ‘স্বেচ্ছামূলক’ বললেও, কাতারের ক্যাম্পে থাকা আফগানদের সামনে বিকল্প পথ খুবই সীমিত হয়ে পড়ছে।