মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির পর দুই দেশের মধ্যে স্থবির হয়ে পড়া কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় সচল করতে ইসলামাবাদ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও কৌশলগত বিশ্লেষক মারিয়া সুলতান জানিয়েছেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উভয় পক্ষ সংলাপে বসতে পারে বলে তারা আশাবাদী।
ইসলামাবাদ সতর্ক করে বলেছে, এই মুহূর্তে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। যদি কূটনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধান না হয়, তবে যুদ্ধের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠবে। মারিয়া সুলতানের মতে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বর্তমানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি যে পর্যায়ে রয়েছে, তাতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়লে পরিস্থিতি মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারত। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে সংঘাতের ঝুঁকি এড়াতে পাকিস্তান উভয় দেশের সঙ্গেই নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
পাকিস্তান মনে করে, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত। এই অঞ্চলে কোনো ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হলে তা কেবল সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্যই নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি ও স্থিতিশীলতার জন্য বিপর্যয়কর হবে। তাই একটি টেকসই সমাধান বের করতে ইসলামাবাদে পুনরায় সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপরই এখন নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতি।
রিপোর্টারের নাম 























