ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাজাপুরে খাল খননে অনিয়ম, কৃষকদের মাঝে ক্ষোভ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় এলজিইডির আওতায় খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সদর এলাকার তুলাতলা এবং আংগারিয়া গ্রামের রাঢ়িবাড়ি খাল খননে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের অধীনে মোট ১৩টি খাল খনন এবং ৩টি বাঁধ নির্মাণে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আলোচিত দুটি খালের ৪.৮৯ কিলোমিটার খনন কাজে প্রায় ৫২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, খাল দুটি খননের নামে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী খনন না করে কেবল খালের মাঝখান থেকে সামান্য পলি সরিয়ে নালা বা ‘ব্যারের’ মতো তৈরি করা হয়েছে। তাদের মতে, এটি খাল খনন নয়, বরং অর্থ লুটপাটের একটি সাজানো প্রক্রিয়া। খাল খননের জন্য খালের পাড়ের অসংখ্য ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। খালের পাড় খাড়াভাবে খনন করায় যেকোনো সময় পাড় ভেঙ্গে খাল ভরাট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

খাল খনন সমিতির সভাপতি আ. সালাম খান দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরকারি নীতিমালা ও সিডিউল অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। তবে দু-একটি জায়গায় খালের পাড়ে বসতঘর থাকায় কিছু গাছ কাটা হয়েছে, যা অফিস থেকে বলা হয়েছে। রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) অভিজিৎ মজুমদারও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, খনন কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের তদারকি করা হচ্ছে এবং নিয়মের ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির করুণ মৃত্যু, পিকআপ আটক

রাজাপুরে খাল খননে অনিয়ম, কৃষকদের মাঝে ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৭:১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় এলজিইডির আওতায় খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সদর এলাকার তুলাতলা এবং আংগারিয়া গ্রামের রাঢ়িবাড়ি খাল খননে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের অধীনে মোট ১৩টি খাল খনন এবং ৩টি বাঁধ নির্মাণে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আলোচিত দুটি খালের ৪.৮৯ কিলোমিটার খনন কাজে প্রায় ৫২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, খাল দুটি খননের নামে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী খনন না করে কেবল খালের মাঝখান থেকে সামান্য পলি সরিয়ে নালা বা ‘ব্যারের’ মতো তৈরি করা হয়েছে। তাদের মতে, এটি খাল খনন নয়, বরং অর্থ লুটপাটের একটি সাজানো প্রক্রিয়া। খাল খননের জন্য খালের পাড়ের অসংখ্য ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। খালের পাড় খাড়াভাবে খনন করায় যেকোনো সময় পাড় ভেঙ্গে খাল ভরাট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

খাল খনন সমিতির সভাপতি আ. সালাম খান দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরকারি নীতিমালা ও সিডিউল অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। তবে দু-একটি জায়গায় খালের পাড়ে বসতঘর থাকায় কিছু গাছ কাটা হয়েছে, যা অফিস থেকে বলা হয়েছে। রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) অভিজিৎ মজুমদারও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, খনন কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের তদারকি করা হচ্ছে এবং নিয়মের ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই।