কুমিল্লা-সিলেট হাইওয়ে সড়কের বুড়িচং রামপাল থেকে শাহ দৌলতপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আরিফ ও শরিফ নামের দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। তারা পূর্ব শাহ দৌলতপুর গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে। তাদের সাথে মৃত আকমত আলীর ছেলে শাহ আলমও জড়িত বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার রামপাল, পশ্চিম ফরিজপুর ও পূর্ব শাহ দৌলতপুর এলাকার শতাধিক মানুষ তাদের স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট এই অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা-সিলেট হাইওয়ে সড়কের রামপাল থেকে শাহ দৌলতপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তাটি বিগত ২০ বছর ধরে জনস্বার্থে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই রাস্তাটির আশেপাশে একটি মসজিদ, একটি হাইস্কুল ও একটি মাদ্রাসা সহ ৩০০ এর অধিক স্থানীয় জনসাধারণের বাড়িঘর রয়েছে। রাস্তাটি কুমিল্লা সেনানিবাসের নিকটবর্তী হওয়ায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী ছাড়াও প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ জন জনসাধারণ ব্যবসা, অফিস আদালত ও অন্যান্য কাজে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে থাকে।
কিন্তু গত ০৮ এপ্রিল পূর্ব শাহ দৌলতপুরের নূর আহম্মদের ছেলে মো. শরিফ ও মো. আরিফ এবং মৃত আকমত আলীর ছেলে শাহ আলম তাদের লোকবল দিয়ে জোরপূর্বক কুমিল্লা-সিলেট হাইওয়ে ঘেঁষে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা সহ ঘর উঠিয়ে জনস্বার্থে ব্যবহৃত রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণ করেন। সেই সাথে ঘর তৈরির জন্য খুঁটিও লাগানো হয়েছে।
এ প্রেক্ষিতে এলাকার লোকজন বাধা দিতে গেলে শরিফ গং ও তাদের লোকজন কাউকে এই এলাকা দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি প্রদর্শন করে।
এর আগে ১৫ এপ্রিল সংসদ সদস্যের প্রতিনিধির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে এ বিষয়ে বৈঠক হলেও সিদ্ধান্ত না মেনে ২০ এপ্রিল আবারো ঘর নির্মাণ করা হয়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
উপজেলা প্রকৌশলী আলিফ আহমদে অক্ষর বলেন, আমাদের রাস্তা পাকা কাজ চলমান আছে। রাস্তা বন্ধ করার মতো কোনো খবর এখনো পাইনি। সরেজমিনে গিয়ে দেখে তারপর বলতে পারব।
বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভির হোসেন বলেন, স্থানীয় কিছু লোকজন আমার কাছে অভিযোগ করেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 























