কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে (কুসিক) গত ১৪ বছরে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন না হওয়ায় নগরবাসী ক্ষুব্ধ। অভিযোগ উঠেছে, উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান (এন এস গ্যালারি) প্রায় ২৩১ কোটি টাকার ৩১টি কাজ কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই পেয়েছে। কাজ সম্পন্ন না করেই অনেক ক্ষেত্রে বিল তুলে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই সিটি করপোরেশনের প্রায় ১০ লাখ জনসংখ্যা এবং প্রতিদিন সেবা নিতে আসা লক্ষাধিক মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়নি। সংস্থার নবাগত প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু দায়িত্ব গ্রহণের পর চার বছরের হিসাব তুলে ধরেছেন এবং উন্নয়নের নামে হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ এনেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কুসিকে অভিযান চালিয়ে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম খুঁজে পেয়েছে, তবে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি।
২০২১ থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার বছরে কুসিকের উন্নয়নে ৭৫০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা খরচ হলেও কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন চোখে পড়েনি। প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হলেও যানজটে ঢাকা শহরকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে কুমিল্লা। এছাড়া, এলজিসিআরআরপি (কোভিড) ১৯ প্রকল্পে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ১৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















